করোনা ভাইরাস এক অভূতপূর্ব মহামারী !

0
370

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এর চিকিৎসাবিদরা পূর্বেই ধারণা করেছিলেন এমন ভয়ঙ্কর মহামারী নিকট ভবিষ্যতে আসার সম্ভাবনা আছে . তাই- ই হলো, মধ্য চীনের হুবেই প্রভিন্সের উহান শহর থেকে উৎপত্তি ও প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে নতুন এই ভয়ানক করোনা ভাইরাস ২০১৯ এর .

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে করোনা ভাইরাসের আক্রমণে বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষ প্রাণ দিয়েছিলো. ১৯৬০ সালে আবিষ্কৃত মরণঘাতী এই ভাইরাসটি বিভিন্ন সময়ে এসেছিলো ভিন্ন নামে . উল্ল্যেখযোগ্য হলো , সার্স করোনা ভাইরাস ২০০৩ , মার্স করোনা ভাইরাস ২০১২, করোনা ভাইরাস ২০১৯ – 2020 .

এবারের ভাইরাসটির ভয়াবহতা অনেক ভয়ানক হবে বলে চিকিৎসকরা আশংকা প্রকাশ করছে . শুরুর দিকে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থা তেমন গুরুত্ব না দিলেও গত এক সপ্তাহের ভয়াবহতায় বিশ্ব স্বাস্থ ( WHO) সংস্থা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন হতে শুরু করেছে .

মার্কিন চিকিৎসকরা ধারণা করছেন এই ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষের প্রাণ ঘাতি হতে পারে . সব কিছু মিলিয়ে সবার মতো করে আমিও বেশ উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত .

নিম্নে আমি সতর্কতা মূলক তথ্য দিচ্ছি, নিজেরাও মানবেন ও বন্ধু পরিবার স্বজনদেরকেও বলবেন যেনো মেনে চলে .

নিজেকে রক্ষা করুন :

* যেহেতু করোনা ভাইরাস একটি ছোঁয়াচে রোগ যা বিশেষ করে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষের মাঝে খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে . তাই সবাইকেই অবশ্যই সবসময় পরিচ্ছন্ন মাস্ক পরিধান বাঞ্চনীয় . মাস্ক পরিষ্কার আছে কিনা দেখে নেয়া উত্তম .

* চীনের কোনো নাগরিক অথবা চীন থেকে সাম্প্রতিককালে আসা কারো সাথে কথা বলা ও দেখা করার আগে জেনে নিন তার শারীরিক অবস্থা কি . হালকা জ্বর অনুভব হলে সাথে সাথেই হসপিটালে ভর্তি হতে পরামর্শ দিন .

* বাইরে থেকে বাসায় যাওয়ার পর সবার আগেই নিজেকে সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন করে নিন.তার পর অন্যদেরকে স্পর্শ করুন .
* শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক মনে হলে দ্রুত ডাক্তার বা হাসপাতালের শরণাপন্ন হন .

চিকিৎসা :

এই ভাইরাসের কোনো চিকিৎসা নেই . গত কদিন ধরে রেডিওতে কানাডার ডাক্তারদের কথোপকথন শুনে যা বুঝলাম . করোনা ভাইরাসে সম্পূর্ণ ভাবে নিজের শ্বাস প্রশ্বাসের নালী কে সংকুচিত করে ফেলে . তাই এই রুগীদের কৃত্তিম অক্সিজেন দেয়া ছাড়া আর তেমন চিকিৎসা নেই .

নিজের ইমিউন সিস্টেম দ্বারা ও শরীরের এন্টি বডি দ্বারা নিজের চিকিৎসা নিজের মাঝেই হয়ে থাকে .

যার এন্টি বডি যতো বেশি শক্তিশালী তার বাঁচার সম্ভাবনা ততো বেশি . যার দুর্বল সেই-ই মৃত্যুর দিকে চলে যায় .

সম্প্রতি আমাদের বাংলাদেশে অনেক বড়ো প্রজেক্টে চাইনিজ কোম্পানিগুলো নিজেদের লোক দ্বারা কাজ করে যাচ্ছে . তারা প্রায় প্রতিদিন চীন ও বাংলাদেশে আসা যাওয়া করে থাকে .

ওদের প্রতি আলাদা নজর রাখতে হবে . ঘনবসতি পূর্ণ বাংলাদেশে যদি কোনো ভাবে একটু ছড়িয়ে পড়ে, মনে রাখতে হবে এটাই হবে জাতির জন্য এক কালো অধ্যায় .

নিজের খেয়াল রাখুন , অন্যকেও ভালো রাখুন .

অবশ্যই নিজে পড়ার পর অন্যকে শেয়ার করুন .

Facebook Comments Box

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here