তেড়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় “আমফান”

0
353
ছবিসুত্রঃ ইন্টারনেট

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ শক্তি সঞ্চয় করে এগিয়ে আসছে ল্যান্ড এর দিকে । আজ রোববার দুপুরে এটি দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এটি সাগরের উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। প্রতি ঘন্টায় আমফানের গতি গড়ে ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার। আগামী ২০ মে শেষ রাতে বা ২১ মে সকালে ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, সাগরে অবস্থানকালে ঘূর্ণিঝড় গতিপথ পরিবর্তন করে। এছাড়া  বাংলাদেশ থেকে এটি বেশ দূরে অবস্থিত। এ কারণে এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে উড়িষ্যা থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত পুরো উপকূলই এর লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক বলেন, ঘূর্ণিঝড় আমফান যখন আঘাত হানবে তা অতি প্রবল হওয়ার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। পূর্বের অভিজ্ঞতা বলে, এই ধরণের ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যথেষ্ট হয়। ঘরবাড়ি, গাছপালার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়া, বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার মতো অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

তবে বাংলাদেশের কোন কোন জেলার ওপর দিয়ে এই ঘূর্ণিঝড়টি বয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে এখনি নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক। এইদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক ওয়াজেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, এখনো পর্যন্ত পাওয়া তথ্য থেকে ধারণা করা যাচ্ছে যে, ঘূর্ণিঝড়টি হয়তো দেশের উত্তর-পশ্চিম দিক অর্থাৎ সাতক্ষীরা ও খুলনা অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ।

তিনি আরও  বলেন, আঘাত হানার সময় যদি ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটারের বেশি থাকলে তাকে বড় ধরণের ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় লোকজনকে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিতে বলা হয়—  ঘূর্ণিঝড়ে দুই ধরণের ক্ষতি হয়। একটা হচ্ছে প্রাণহানি , আরেকটা হচ্ছে ঘরবাড়ি ও গবাদিপশুর ক্ষতি।

Facebook Comments Box